আমি তোমায় ভালোবাসি

তখন ৪র্থ শ্রেনীতে পড়ি। একদিন সহপাঠি হাসিনাকে দেখে কমনরুমে চিল্লাই চিল্লাই গাইতেছিলাম “ও হাসিনা জুলফোওয়ালি জানে জাহা….” এইটা আমাদের কড়া মেজাজি মতিন স্যার শুনে ফেলে, ফলে পিটুনির বদলে প্রতিদিন লাইনের সামনে এসে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার শাস্তি প্রদান

প্রচন্ড লজ্জা পেতাম তারপরেও সামনে এসে বলা লাগতো- “লাইন সোজা হও, আরামে দাড়াও” তখন এইটা নিন্তাত ডেইলি রুটিনের মধ্যে একটি ছিলো। বুঝতাম না কেন রোজ রোজ রোদের মধ্যে দাড়িয়ে এইগুলা করা লাগবে। সেই দিনগুলো অনেক আগেই ফেলে এসছি, অনুভব অনুভূতিরও অনেক পরিবর্তন হয়েছে। দেশ-ভক্তি শুধু অনুশাসন, বইয়ের লেখার ভেতর আবদ্ধ না থেকে মাঝে মধ্যে নাড়া দিয়ে যায় আমাকে।
beautiful-Bangladesh
যুগে যুগে এই দেশ ভক্তি প্রকাশ করার অন্যতম মাধ্যম হিসাবে সঙ্গীতকে বেছে নেয়া হয়। আর আমি মনে করি সঙ্গীত হলো গায়ের লোম খাড়া হয়ে যাওয়া সব অনুভূতির মধ্যে একটি। আর সেটা যদি হয় আমাদের জাতীয় সঙ্গীত তাহলে কেমন অনূভব হয় সেটা বুঝলাম Khiyo ব্যান্ডের গাওয়া “আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি” গানটি শুনে। কোন দিন কোন গান শুনে আমি কেঁদিছি কি না মনে পড়ে না, তবে এই গানটি শুনে আমি অঝরে কেঁদেছিলাম। কোন অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিলো সেটাও আমি জানি না, তবে জানি এবং মন থেকে মানি- “আমার সোনার বাংলা- আমি তোমায় ভালোবাসি..”

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।